নাটক–সিনেমায় প্রায়ই দেখা যায়—স্বামী বিবাহবার্ষিকীর তারিখ ভুলে গেছে, আর এতে স্ত্রী অভিমান করছেন। বাস্তব জীবনেও এমন ঘটনা কম নয়। তবে দিনটি ভুলে না গিয়ে বরং কীভাবে স্ত্রীকে বিশেষ দিনে চমকে দেওয়া যায়, সেটাই এবার জেনে নেওয়া যাক।
প্রথমেই ছোট সারপ্রাইজ
দিনটি শুরু করতে পারেন কিছু সহজ কিন্তু ভালোবাসায় ভরা উপহার দিয়ে—
ফুল, চকলেট, কেক ও শুভেচ্ছা কার্ড।
বিশেষ করে রাত বারোটার পর এসব উপহার পেলে স্ত্রী খুব সহজেই খুশি হয়ে যান।
ফুল
কম বাজেটেও সবচেয়ে কার্যকর উপহার হলো ফুল। একটি সুন্দর তোড়া বা কিছু প্রিয় ফুল মুহূর্তেই আনন্দ এনে দিতে পারে। ফুল ভালোবাসে না, এমন নারী প্রায় নেই বললেই চলে।
চকলেট
বিভিন্ন আকার–আকৃতির চকলেটের একটি বাক্স রাত বারোটার পর সারপ্রাইজ হিসেবে উপহার দিতে পারেন। এতে আপনার প্রতি তার ভালোবাসা আরও বেড়ে যাবে।
কেক ও কার্ড
বিবাহবার্ষিকীর জন্য বিশেষ কেক অর্ডার করে তাতে ভালোবাসার বার্তা লিখে দিতে পারেন। সঙ্গে একটি সুন্দর শুভেচ্ছা কার্ড যোগ করলে উপহারটি আরও স্মরণীয় হবে।
এবার দীর্ঘমেয়াদি উপহার
এসব উপহার স্ত্রীকে শুধু চমকই দেবে না, বরং দীর্ঘদিন মনে রাখার মতোও হবে। যেমন—
পোশাক
স্ত্রীর পছন্দ অনুযায়ী সালোয়ার-কামিজ, শাড়ি, ব্লাউজ, কুর্তি, গাউন, স্কার্ট, জিন্স কিংবা লেহেঙ্গা—যেকোনো পোশাক দিতে পারেন।
পারফিউম
বিভিন্ন রং ও সুগন্ধের পারফিউম নারীদের কাছে বিশেষ প্রিয়। একটি মানসম্মত পারফিউম হতে পারে দারুণ উপহার।
মোবাইল ফোন
বাজেট ভালো হলে পছন্দের স্মার্টফোন দিতে পারেন। চাইলে ফোনের কভারও সঙ্গে যোগ করে দিতে পারেন। ট্রেন্ডি মডেল বা আইফোন—যেটি তিনি পছন্দ করেন সেটিই বেছে নিতে পারেন।
গয়না
নারীদের কাছে গয়নার আকর্ষণ চিরন্তন। বাজেট কম হলে ছোট কোনো গয়না—আংটি, ব্রেসলেট, নাকফুল—উপহার দিতে পারেন। আর বাজেট বেশি হলে নেকলেস, কানের দুল, পায়েল বা ডায়মন্ড জুয়েলারি দারুণ চমক হয়ে উঠবে।
সময় কাটানোই সবচেয়ে বড় উপহার
উপহার দেওয়ার পর স্ত্রীকে নিয়ে বাইরে কোথাও ঘুরতে যেতে পারেন।
- পছন্দের কোনো রেস্টুরেন্টে ডিনার
- শহরের বাইরে এক দিনের ভ্রমণ
- কিংবা কয়েক দিনের ট্যুর—
যেকোনোটি এই বিশেষ দিনটিকে আরও স্মরণীয় করে তুলতে পারে।
সবার শেষে মনে রাখবেন—উপহারের চেয়ে বড় উপহার আপনার সময়, মনোযোগ এবং ভালোবাসা।

