হাইকোর্টের নির্দেশ

হাইকোর্টের নির্দেশ

‘ধুরন্ধর’ সিনেমা জরুরি ভিত্তিতে পর্যালোচনা করবে ভারতীয় সেনাবাহিনী!

বিনোদন প্রতিবেদক
২ মিনিটে পড়ুন

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে জানা গেছে, গত ২৯ নভেম্বর শহীদ মেজর মোহিত শর্মার পরিবার দিল্লি হাইকোর্টে একটি লিখিত আবেদন (পিটিশন) দাখিল করে।

পরিবারের অভিযোগ, ২০০০ সালে পাকিস্তানে মেজর মোহিত শর্মার জীবন ও তাঁর গুপ্তচরবৃত্তির অভিযানের সঙ্গে ‘ধুরন্ধর’ সিনেমার কাহিনি হুবহু মিলে যায়। এমনকি রণবীর সিংয়ের চরিত্রের লুকও শহীদ মেজরের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। তাদের দাবি—একজন শহীদের জীবন কখনোই বাণিজ্যিক পণ্যে রূপ নিতে পারে না। আর্থিক লাভের জন্য অনুমতি বা সম্মান ছাড়া তাঁর জীবনকে নতুনভাবে উপস্থাপন করা অনৈতিক।

পরিবার আরও জানায়, পারিবারিক অনুমতি ছাড়া মোহিত শর্মার জীবনভিত্তিক কোনো সিনেমা নির্মাণ আইনসঙ্গত নয়। এমনকি সিনেমাটি মুক্তি পেলে জাতীয় নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়তে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেছে তারা।

এই অভিযোগ ও পিটিশনের প্রেক্ষিতে সোমবার (১ ডিসেম্বর) দিল্লি হাইকোর্ট নির্দেশ দেয় যে সিনেমাটি ভারতীয় সেনাবাহিনী পর্যালোচনা করবে। সেনাবাহিনীর অনুমোদন পাওয়ার পরই সেন্সর বোর্ড সিনেমাটির ছাড়পত্র সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেবে। এখনো সিনেমাটি সেন্সর ছাড়পত্র পায়নি।

এদিকে ‘ধুরন্ধর’ সিনেমার পরিচালক আদিত্য ধর জানান, সিনেমাটি মেজর মোহিত শর্মার জীবনের ওপর ভিত্তি করে নির্মিত নয়। তিনি বলেন, এমন সাহসী সৈনিকের ত্যাগ নিয়ে সিনেমা বানালে অবশ্যই পরিবারের অনুমতি নিয়েই তা করতেন।

উল্লেখ্য, ‘ধুরন্ধর’ সিনেমায় এমন সব মানুষের গল্প তুলে ধরা হয়েছে, যাদের চেনে না কেউ—যারা ইতিহাসের পাতায় স্থান না পেলেও আড়ালে নীরবে কাজ করেছেন। এই নায়কদের কেন্দ্র করেই নির্মিত সিনেমাটি চলতি বছরের ৫ ডিসেম্বর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়ার কথা।

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *