পিলখানা হত্যাকাণ্ডে জড়িত সেনা সদস্যদের নাম প্রকাশ এবং দ্রুত গ্রেফতার দাবি জানিয়েছেন শহীদ পরিবারের সদস্যরা। সোমবার (১ ডিসেম্বর) সকালে বিডিআর বিদ্রোহ তদন্তে গঠিত কমিশনের প্রতিবেদনের প্রতিক্রিয়া জানাতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তারা এ দাবি জানান।
শহীদ পরিবারের সদস্যরা কমিশনের প্রতিবেদনের প্রতি সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন। তবে তারা অভিযোগ করেছেন, এখনও হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিরা বহাল তবিয়তে রয়েছেন এবং বিচারের ভয়ভীতির কারণে বিভিন্নভাবে তাদের ওপর চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে তারা শহীদ পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জড়িত সেনা সদস্যদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।
তাদের বক্তব্য, দলগতভাবে হত্যাকাণ্ডে আওয়ামী লীগের জড়িত থাকার প্রমাণ রয়েছে। তাই দলকে বিচারের আওতায় আনা এবং নিষিদ্ধ করারও দাবি জানিয়েছেন তারা।
এর আগে, দীর্ঘ ১১ মাসের তদন্ত শেষে রবিবার স্বাধীন তদন্ত কমিশন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহম্মদ ইউনুসের কাছে প্রতিবেদন জমা দেয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, বিডিআর হত্যাকাণ্ড পরিকল্পিত ছিল এবং এতে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ‘গ্রিন সিগন্যাল’ ছিল। তৎকালীন সেনাপ্রধানের পাশাপাশি পুলিশ, র্যাব ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোরও চরম ব্যর্থতার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
রিপোর্টে বলা হয়েছে, ক্ষমতাকে কুক্ষিগত ও পাকাপোক্ত করতে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড সংগঠিত করা হয়েছিল। হত্যাকাণ্ডে দলগতভাবে আওয়ামী লীগের জড়িত থাকার প্রমাণ রয়েছে এবং শেখ ফজলে নূর তাপস ছিলেন প্রধান সমন্বয়ক।

