ত্রিনিদাদ অ্যান্ড টোবাগোতে আগেই কার্যকর সমুদ্র নজরদারি ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও দেশটিতে যুক্তরাষ্ট্র যে রাডার স্থাপন করেছে, তা আসলে যুদ্ধক্ষেত্রে ব্যবহারের জন্য নকশা করা—এমন তথ্য জানিয়েছে ট্রিনিদাদ এক্সপ্রেস নিউজপেপার সোমবার (১ ডিসেম্বর) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে।
সাবেক লেফটেন্যান্ট কমান্ডার নর্মান ডিন্ডিয়াল সতর্ক করে বলেন, নতুন স্থাপিত এই রাডার মাদকদ্রব্য শনাক্তকরণ বা প্রতিরোধের কাজে দক্ষ নয়; বরং এর উপস্থিতি ত্রিনিদাদকে সম্ভাব্য হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করতে পারে।
‘এএন/টিপিএস-৮০ জি/এটর’ নামের রাডারটি অতিদ্রুতগতির লক্ষ্যবস্তু—যেমন ক্ষেপণাস্ত্র বা সামরিক বিমান—শনাক্ত করতে সক্ষম। ডিন্ডিয়াল আরও জানান, এর সক্ষমতা শুধু সমুদ্র বা মাদকবিরোধী নজরদারিতে সীমাবদ্ধ নয়; এটি আকাশ প্রতিরক্ষা, বিমান হামলা প্রতিরোধ এবং ফায়ার কাউন্টার-মিশন পরিচালনার জন্য তৈরি। ফলে এর নিরাপত্তায় স্যাটেলাইট-ভিত্তিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, শোল্ডার-লঞ্চড ক্ষেপণাস্ত্র (MANPADS) বা অন্যান্য প্রতিরক্ষা অবকাঠামোর প্রয়োজন হতে পারে।
এদিকে টোবাগো দ্বীপের বিমানবন্দরের রানওয়ে ও সড়ক নির্মাণের কাজও করছে মার্কিন নৌবাহিনী। সমুদ্রসীমা এবং আশপাশের দেশগুলোতে নজরদারি ও গোয়েন্দা সক্ষমতা বাড়ানোর অংশ হিসেবেই এসব উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে বলে দেশটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
সম্প্রতি মাদক চোরাচালান রোধে যুক্তরাষ্ট্র পুরো অঞ্চলে সামরিক তৎপরতা বৃদ্ধি করেছে। এর কারণে ভেনেজুয়েলাসহ লাতিন আমেরিকার কয়েকটি দেশের সঙ্গে ওয়াশিংটনের উত্তেজনাও বেড়েছে।

