পার্থে কাল পর্দা উঠছে অ্যাশেজের
আবারও শুরু হতে যাচ্ছে ঐতিহ্য ও সম্মানের লড়াই—অ্যাশেজ। ঘরের মাঠে খেলতে নামায় অস্ট্রেলিয়া আত্মবিশ্বাসে ভরপুর। পরিসংখ্যানও তাদের সেই আত্মবিশ্বাস জোগায়; কারণ শেষ চার সংস্করণে একবারও ট্রফি হারায়নি অজিরা। টানা পঞ্চমবারের মতো অ্যাশেজ নিজেদের দখলে রাখতে বদ্ধপরিকর স্বাগতিকরা, আর সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সও সে বার্তা দিচ্ছে।
তবে সিরিজ শুরুর আগে দুশ্চিন্তা আছে অস্ট্রেলিয়া শিবিরে। ইনজুরির কারণে নেই দুই তারকা পেসার—প্যাট কামিন্স ও জশ হ্যাজেলউড। কামিন্স অনুপস্থিত থাকায় দলের নেতৃত্ব উঠেছে স্টিভ স্মিথের হাতে। স্কোয়াডে ঢুকেছেন স্কট বোলান্ড এবং অভিষেকের অপেক্ষায় রয়েছেন ব্রেন্ডন ডগেট।
অজি পেসার মিচেল স্টার্ক বলেন, “ইনজুরি পেসারদের জন্য স্বাভাবিক ব্যাপার। তবে কামিন্স আর হ্যাজেলউডকে না পাওয়া নিঃসন্দেহে হতাশাজনক। তারপরও দল ভারসাম্য বজায় রেখেই নির্বাচন করা হয়েছে। নতুনরা মাঠে নামার জন্য উদগ্রীব।”
অন্যদিকে, গত চার আসরে শিরোপা না পাওয়ায় ইংল্যান্ড এবার মরিয়া অ্যাশেজ পুনরুদ্ধারে। অস্ট্রেলিয়ার দুশ্চিন্তার কারণ যে শক্তিশালী পেস ইউনিট, সেটিই স্টোকসের দলের প্রধান ভরসা। মার্ক উডকে নিয়ে শঙ্কা থাকলেও তিনি ফিরেছেন দলে। ঘোষিত স্কোয়াডে আরও চারজন পেসার আছেন। অজি কন্ডিশনে মানিয়ে নিতে দলে রাখা হয়েছে স্পিনার শোয়েব বশিরকেও। তবে অসিদের বিপক্ষে না খেলার অভিজ্ঞতা অনেক খেলোয়াড়ের জন্য চ্যালেঞ্জ হতে পারে।
সিরিজ শুরুর আগে ইংলিশ অলরাউন্ডার গাস অ্যাটকিনসন বলেন, “আমাদের অনেকেই আগে অস্ট্রেলিয়ায় খেলেনি। তবে আমরা পুরোপুরি প্রস্তুত। দলে স্টোকস আর রুটের মতো অভিজ্ঞ ক্রিকেটার আছে, প্রয়োজনে তাদের সহায়তা পাবো। তরুণরা যেকোনো বিষয়েই তাদের পরামর্শ নিতে পারবে।”
উল্লেখ্য, আগামীকাল (২১ নভেম্বর) পার্থে শুরু হবে অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ডের মধ্যকার অ্যাশেজের প্রথম টেস্ট। বাংলাদেশ সময় সকাল ৮টা ২০ মিনিটে শুরু হবে ম্যাচটি।

