ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের স্পিকার কে হচ্ছেন—তা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে চলছে নানা আলোচনা। একইসঙ্গে জুলাই সনদ অনুযায়ী বিরোধী দল ডেপুটি স্পিকারের পদ পাবে কি না, সরকার দলের চিফ হুইপ ও হুইপ কারা হচ্ছেন—এসব নিয়েও জল্পনা তুঙ্গে।
স্পিকার পদে ক্ষমতাসীন দলের জ্যেষ্ঠ নেতা ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. আব্দুল মইন খান ও অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীনের নাম আলোচনায় রয়েছে। আর চিফ হুইপ হিসেবে জয়নুল আবদীন ফারুকের নাম শোনা যাচ্ছে। তিনি এর আগে বিরোধী দলীয় চিফ হুইপের দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খান জানিয়েছেন, সংসদের প্রথম অধিবেশনেই এসব পদে নির্বাচন হবে এবং সংসদ সদস্যরাই ভোটের মাধ্যমে তাদের নির্বাচিত করবেন।
অন্যদিকে, দ্বাদশ জাতীয় সংসদে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার না থাকায় ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশনে কে সভাপতিত্ব করবেন—তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। সংবিধান বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ক্ষেত্রে জ্যেষ্ঠ কোনো সংসদ সদস্য সভাপতিত্ব করতে পারেন।
সংবিধান বিশেষজ্ঞ শাহাদিন মালিক বলেন, সংসদের কোনো অধিবেশনে কে সভাপতিত্ব করবেন, তা আলাদা করে উল্লেখ না থাকলেও প্রচলিত রীতি অনুযায়ী জ্যেষ্ঠ সদস্যদের মধ্য থেকে কাউকে দায়িত্ব দেওয়া যেতে পারে। বিশেষ করে যারা মন্ত্রী নন কিন্তু একাধিকবার সংসদ সদস্য হয়েছেন, তাদের মধ্য থেকে কাউকে সংসদে বসেই সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব।
এদিকে, আগামী ১২ মার্চ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন আহ্বান করেছেন রাষ্ট্রপতি। সংসদ সচিবালয় জানিয়েছে, অধিবেশনকে ঘিরে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
এছাড়া, সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেওয়ার দিনই বিরোধী দল জামায়াতের আমিরকে বিরোধী দলীয় নেতা হিসেবে নির্বাচন করেছে। একইসঙ্গে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামকে করা হয়েছে বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ।

