মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের ‘শান্তির বোর্ড’-এ যোগদানের আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।

ট্রাম্প ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে তার ‘শান্তির বোর্ডে’ যোগদানের জন্য আমন্ত্রণ জানান। ছবি: সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক ডেস্ক২ মিনিটে পড়ুন
বুধবার (২১ জানুয়ারি) ইসরাইলি নেতার কার্যালয় সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘোষণা করে যে, নেতানিয়াহু এই উদ্যোগে যোগ দেবেন।
যদিও গাজায় যুদ্ধাপরাধের জন্য আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে।
আরও পড়ুন:মার্কিন-সমর্থিত গাজা ঘাঁটিতে কর্মী না পাঠানোর কথা ভাবছে ইউরোপের কয়েকটি দেশ
গাজায় ইসরাইলের গণহত্যার অবসান ঘটাতে হামাসের সাথে যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় পর্যায়ের অংশ হিসেবে ‘শান্তির বোর্ড’ উন্মোচিত হয়েছিল।
এরইমধ্যে এই সংস্থায় যোগদানের জন্য অসংখ্য বিশ্ব নেতাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে, যা ট্রাম্পের ধারণা, উপত্যকায় শাসন সক্ষমতা বাড়ানোসহ আঞ্চলিক সম্পর্ক, পুনর্গঠন, বিনিয়োগ আকর্ষণ, বৃহৎ পরিসরে তহবিল সংগ্রহ এবং মূলধন সংগ্রহ তত্ত্বাবধান করবে।
আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয় তবে, নেতানিয়াহুর অংশগ্রহণ বোর্ডের বস্তুনিষ্ঠতা নিয়ে উদ্বেগ আরও বাড়িয়ে তুলবে, যার নেতৃত্ব দেবেন ট্রাম্প এবং এর ‘লাইনআপ’ নিয়ন্ত্রণ করবেন।
নেতানিয়াহুর বোর্ডে আমন্ত্রণ গ্রহণের আগে নেতানিয়াহুর অফিস, নির্বাহী কমিটির গঠনের সমালোচনা করেছিল। কারণ তখন ইসরাইলের আঞ্চলিক প্রতিদ্বন্দ্বী তুরস্কের যোগদানের কথাও বলা হয়েছিল। যদিও তুরস্ক শেষ পর্যন্ত যোগ দিতে পারবে কিনা তা এখনও স্পষ্ট নয়।
এদিকে, যুদ্ধাপরাধের জন্য আইসিসিতে গ্রেফতারি পরোয়ানা থাকার পরও বোর্ডে আমন্ত্রিত একমাত্র ব্যক্তি নেতানিয়াহু নন। ইউক্রেনের বিরুদ্ধে প্রায় চার বছরের যুদ্ধের জন্য অভিযুক্ত হওয়া সত্ত্বেও, সোমবার রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে বোর্ডে যোগদানের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়।
আরও পড়ুন:‘গাজা কমিটি’তে কাতার ও তুরস্কের সেনারা থাকতে পারবে না: নেতানিয়াহু
ক্রেমলিন জানায়, তারা ওয়াশিংটনের সাথে এ বিষয়ে খুঁটিনাটি বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করছে তবে পুতিন যোগ দিতে আগ্রহী কিনা সে সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু বলেনি।
এছাড়া পুতিনের মিত্র বেলারুশের প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার লুকাশেঙ্কোকেও ট্রাম্প এই দলে যোগদানের জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছেন বলে জানা গেছে।

