নীচে পুরো প্রতিবেদনের একটি পরিমার্জিত ও পরিষ্কার ভাষায় পুনর্লিখিত সংস্করণ দেওয়া হলো—
কলকাতায় সিরিজের প্রথম টেস্টে স্বাগতিক ভারতকে ৩০ রানে হারিয়ে দুর্দান্ত জয় তুলে নিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। ১২৪ রানের সহজ লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ভারতীয় ব্যাটাররা সফরকারীদের ধারালো বোলিং আক্রমণের সামনে দাঁড়াতেই পারেনি। ইনজুরির কারণে অধিনায়ক শুভমান গিল শেষ ইনিংসে খেলতে না পারায় দল আরও বিপদে পড়ে। দীর্ঘ ১৫ বছর পর ভারতের মাটিতে টেস্ট জয়ের স্বাদ পেল প্রোটিয়ারা—সর্বশেষ জয় ছিল ২০১০ সালের ফেব্রুয়ারিতে। এরপর টানা আট ম্যাচে সাতটিতে হেরেছিল তারা, আর একটি হয়েছিল ড্র।
দ্বিতীয় ইনিংসে ৩০ রানে পিছিয়ে থেকে ব্যাটিংয়ে নেমে আরও বড় সংকটে পড়ে দক্ষিণ আফ্রিকা। টেম্বা বাভুমার ধৈর্যশীল ফিফটি এবং কোর্বিন বশের ২৫ রানের ইনিংস না থাকলে তাদের সংগ্রহ ১৫৩ রানে পৌঁছানো কঠিন হতো। বাভুমা ১৩৬ বল মোকাবিলা করে ৪ চার মেরে ৫৫ রানে অপরাজিত থাকেন। ভারতের হয়ে এই ইনিংসে সর্বোচ্চ ৪ উইকেট নেন রবীন্দ্র জাদেজা, ৫০ রান খরচায়। এছাড়া মোহাম্মদ সিরাজ শিকার করেন ২ উইকেট।
স্বল্প লক্ষ্য পেলেও ইডেন গার্ডেন্সের পিচে তা ভারতের জন্য রীতিমতো দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়। মাত্র ১ রানেই দুই ওপেনার যশস্বী জয়সওয়াল ও কেএল রাহুলকে হারিয়ে চাপে পড়ে দল। ওয়াশিংটন সুন্দর ও ধ্রুব জুরেল কিছুটা প্রতিরোধের চেষ্টা করলেও দক্ষিণ আফ্রিকার স্পিনার সিমনের তোপে সব ধসে যায়। সুন্দর করেন ৩১ আর শেষ দিকে অক্ষর প্যাটেল যোগ করেন ২৬ রান। শেষ পর্যন্ত ভারত থামে ৯৩ রানে।
দ্বিতীয় ইনিংসেও সিমন নেন ৪ উইকেট। ইয়ানসেন ও কেশভ মহারাজ নেন ২টি করে উইকেট।
এখন প্রোটিয়াদের সামনে ঐতিহাসিক সুযোগ—পরের ম্যাচে জিততে বা ড্র করলেও দুই যুগ পর ভারতের মাটিতে টেস্ট সিরিজ জিতবে তারা। সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টটি অনুষ্ঠিত হবে ২২ নভেম্বর, আসামের গুয়াহাটিতে।

