আওয়ামী লীগ সরকারের সময় রাষ্ট্রপতির সাংবিধানিক ক্ষমতা ব্যবহার করে এক ব্যক্তির ইচ্ছানুযায়ী নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল—এমন মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ড. আলী রীয়াজ।
শনিবার (১৭ জানুয়ারি) গণভোটের প্রচার ও ভোটারদের উদ্বুদ্ধকরণ উপলক্ষে আয়োজিত ঢাকা বিভাগীয় মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
ড. আলী রীয়াজ বলেন, অতীতে নির্বাচন ব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের অনৈতিক কর্মকাণ্ডে বাধ্য করা হয়েছিল। এর ফলে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং জনগণের ভোটাধিকার সংকুচিত হয়েছে। তবে আসন্ন গণভোটের মাধ্যমে এই অনিয়ম ও সংকটের অবসান ঘটবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
তিনি আরও বলেন, প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীরা গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালালে তাতে কোনো ধরনের আইনি বা নৈতিক বাধা নেই। কারণ এটি রাষ্ট্র ও জনগণের স্বার্থসংশ্লিষ্ট একটি প্রক্রিয়া, যেখানে সবার অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা জরুরি।
এর আগে সভায় বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী। তিনি বলেন, গণভোটের মাধ্যমেই আগামী দিনের বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারিত হবে। এই প্রক্রিয়ায় জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ দেশের গণতান্ত্রিক ভিত্তিকে আরও শক্তিশালী করবে।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন প্রধান উপদেষ্টার আরেক বিশেষ সহকারী মনির হায়দার। তিনি বলেন, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের বিপক্ষে নানা ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচার চলছে। এসব অপচেষ্টা মোকাবিলা করে জনগণকে সঠিক তথ্য জানাতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
সভায় বক্তারা গণভোটকে একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ও গণতান্ত্রিক পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করে এর সফল বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সহযোগিতা কামনা করেন।

