এটি একটি ধর্মীয় ও রাজনৈতিক বিষয় নিয়ে প্রকাশিত সংবাদ। এখানে দুটি প্রধান বিষয় উঠে এসেছে:
১. বিএনপির বক্তব্য: বিএনপি দাবি করেছে যে, তারা ক্ষমতায় গেলে সংবিধানে “আল্লাহর ওপর আস্থা ও বিশ্বাস” পুনরায় প্রতিষ্ঠিত করবে। দলটির মতে, যারা আল্লাহর রাসূলকে মানে না, তারা মুসলিম হতে পারে না, এবং কাদিয়ানিদের অমুসলিম ঘোষণা করা হবে। এই মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ।
২. জামায়াতের অবস্থান: জামায়াতও একই রকম অবস্থান নিয়ে জানিয়েছে, তারা যদি ক্ষমতায় আসে, তাহলে খতমে নবুয়ত পরিষদের দাবিগুলো পূরণ করবে। জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান এই কথা বলেছেন।
এছাড়া, খতমে নবুয়ত সংরক্ষণ পরিষদের আয়োজনে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক খতমে নবুওয়ত মহাসম্মেলনে কাদিয়ানিদের অবিলম্বে অমুসলিম ঘোষণার দাবি তোলা হয়েছে। সম্মেলনে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ধর্মপ্রাণ মুসলিম জনতা এবং পাঁচটি দেশের আলেম-ওলামারা অংশ নিয়েছেন।
এই আলোচনা এবং বক্তব্যগুলো ধর্মীয় সংকল্প ও মুসলিম ঐক্য প্রতিষ্ঠার প্রতি গভীর মনোযোগ প্রদান করছে। রাজনৈতিক দলগুলো তাদের ধর্মীয় অবস্থান স্পষ্ট করে দেওয়ার মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার সূচনা করেছে।
আপনার কী ধারণা, এই দাবিগুলোর রাজনৈতিক প্রভাব কতটা বড় হতে পারে?

