জালিয়াতি মামলায় বলিউড পরিচালক বিক্রম ভাট ও তার স্ত্রী শ্বেতাম্বরীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) প্রায় ৩০ কোটি টাকার প্রতারণা মামলায় আদালতের নির্দেশে হেফাজতে পাঠানো হল এই দম্পতিকে।

চিকিৎসাজনিত কারণ দেখিয়ে অন্তর্বর্তী জামিনের আবেদন করা হলেও আদালত তা খারিজ করে দেয় আদালত। ফলে সাত দিনের পুলিশ হেফাজত শেষে তাদের জেল হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেয় আদালত।
গত রবিবার (৭ ডিসেম্বর) মুম্বাই থেকে বিক্রম ভাট ও শ্বেতাম্বরীকে গ্রেফতার করে রাজস্থান পুলিশ। পরদিন স্থানীয় সময় গভীর রাতে তাদের উদয়পুরে আনা হয়। এরপর অতিরিক্ত মুখ্য বিচারবিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে পেশ করা হলে আদালত তাদের সাত দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেয়।
এই মামলায় বিক্রম ভাট ও তার স্ত্রীর পাশাপাশি আরও ছয় জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ, তারা মিলিতভাবে উদয়পুরের এক চিকিৎসক ডা. অজয় মুর্দিয়ার থেকে প্রায় ৩০ কোটি টাকা প্রতারণা করেছেন। ডা. মুর্দিয়া ইন্দিরা গ্রুপ অব কোম্পানিজ-এর প্রতিষ্ঠাতা।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রয়াত স্ত্রীর জীবনী নিয়ে একটি বায়োপিক তৈরির পরিকল্পনা করেছিলেন ডা. মুর্দিয়া। অভিযুক্তরা তাকে ওই ছবির মাধ্যমে প্রায় ২০০ কোটি টাকা আয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ। তবে, বাস্তবে সেই প্রতিশ্রুতি পূরণ হয়নি।
শেষ পর্যন্ত প্রতারিত হয়ে উদয়পুরের ভোপালপুরা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন ডা. মুর্দিয়া। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই প্রতারণা ও অন্যান্য ধারায় এফআইআর দায়ের হয়।
