ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হয়েছেন। রোববার (১ মার্চ) তেহরান আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
মৃত্যুর ১১ দিন আগে তিনি সর্বশেষ জনসমক্ষে ভাষণ দেন। সেই বক্তব্যে তিনি দেশের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং প্রতিরোধমূলক অস্ত্রের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।
রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা Islamic Republic News Agency (ওয়ানা)-এর প্রকাশিত ফুটেজে দেখা যায়, জেনেভায় ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনা শুরুর পর তিনি এই ভাষণ দেন।
ভাষণে খামেনি বলেন, “আমাদের অবশ্যই প্রতিরোধমূলক অস্ত্র থাকতে হবে। কোনো দেশের কাছে যদি এমন সক্ষমতা না থাকে, তবে সে দেশ শত্রুর চাপে নত হতে বাধ্য হবে।” তিনি আরও বলেন, “এই সময়ে আমাদের জন্য শক্তিশালী প্রতিরোধ ব্যবস্থা অত্যন্ত জরুরি। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র এতে অযথা হস্তক্ষেপ করছে। তারা বলছে, নির্দিষ্ট সীমার বেশি দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র রাখা যাবে না। এটি সম্পূর্ণভাবে ইরানের নিজস্ব জাতীয় বিষয়।”
এ সময় তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক শক্তি নিয়েও মন্তব্য করেন। তার ভাষায়, “তারা নিজেদের বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সেনাবাহিনী বলে দাবি করে। কিন্তু সবচেয়ে শক্তিশালী বাহিনীও এমন আঘাত পেতে পারে, যেখান থেকে সহজে ঘুরে দাঁড়ানো সম্ভব নয়।”
বিশ্লেষকদের মতে, ওই বক্তব্যে খামেনি ইরানের প্রতিরক্ষা নীতিকে আরও জোরালোভাবে তুলে ধরেন এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে কঠোর অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন।

