রাজধানীর বনশ্রীতে স্কুলছাত্রী হত্যার ঘটনায় অজ্ঞাতনামা একাধিক ব্যক্তিকে আসামি করে খিলগাঁও থানায় মামলা করেছে নিহতের পরিবার।
শনিবার (১০ জানুয়ারি) রাতে বনশ্রীর একটি বাসা থেকে স্থানীয় একটি স্কুলের দশম শ্রেণির ছাত্রী ফাতেমা আক্তার লিলির গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
এদিকে সিসি ক্যামেরার ফুটেজ পর্যালোচনা করে নিহত ফাতেমার বাবার মালিকানাধীন একটি রেস্তোরাঁর কর্মচারী মিলনকে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত বলে সন্দেহ করছে পরিবার। তারা জানায়, মিলন মালিকের বাসায় নিয়মিত খাবার খেতেন এবং তিনি নেশাগ্রস্ত ছিলেন।
পরিবারের অভিযোগ, গভীর রাতে বাসায় প্রবেশ করতে চাইলে ফাতেমা তাকে বাধা দিতেন। এ বিষয়েই ক্ষোভ থেকে মিলন ফাতেমাকে হত্যা করে থাকতে পারে বলে তাদের ধারণা।
হত্যাকাণ্ডের পর বাসা থেকে নগদ প্রায় ৫ লাখ টাকা ও ৫ ভরি স্বর্ণালঙ্কার লুট হয়েছে বলেও জানায় পরিবার। ঘটনার পর থেকেই মিলন পলাতক রয়েছেন। তাকে দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছে নিহতের স্বজনরা।
এ বিষয়ে ডিএমপির মিডিয়া বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) তালেবুর রহমান বলেন, পরিবারের সন্দেহকে গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত চলছে। পলাতক মিলনকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

