যুদ্ধবিরতির পরও গাজার কমিউনিটি কিচেনে নেই প্রয়োজনীয় রসদ

যুদ্ধবিরতির পরও গাজার কমিউনিটি কিচেনে নেই প্রয়োজনীয় রসদ


গাজায় শান্তিচুক্তি কার্যকর হওয়ার ছয় সপ্তাহ পরও কমিউনিটি কিচেনগুলোতে প্রয়োজনীয় রসদের ঘাটতি রয়ে গেছে। আল-জাওয়ায়দা এলাকার কিচেনগুলোতে বড় ধাতব হাঁড়িতে রসুন, টমেটো, মরিচ ও মশলার মিশ্রণ দিয়ে রান্না চলছে, কিন্তু মাছ, মাংসসহ প্রোটিনজাত খাবার এখনো পাওয়া যাচ্ছে না। এ তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি নিউজ।

আমেরিকান নিঅর ইস্ট রিফিউজি এইড গাজার দক্ষিণ ও মধ্যাঞ্চলে দুটি কিচেন পরিচালনা করছে, যেখানে প্রতিদিন ২০ হাজারের বেশি মানুষের জন্য গরম খাবার প্রস্তুত হয়।

সংগঠনটির টিম লিডার সামি মাতার বলেন, “আগে দিনে ১৫টি হাঁড়িতে রান্না করতাম, এখন তা বাড়িয়ে ১২০টিতে পৌঁছেছে। এগুলো ৩০টি বাস্তুচ্যুত শিবিরের মানুষদের খাবার দেয়। তবে কিছু মৌলিক উপাদান ছাড়া অনেক খাবারই রান্না করা সম্ভব হচ্ছে না।”

যদিও কিছু খাদ্যসামগ্রী প্রবেশ করতে শুরু করেছে, খাবারের বৈচিত্র্য এখনো খুব সীমিত—মূলত চাউল, পাস্তা ও ডালই রান্নায় ব্যবহার করা হচ্ছে।

তাজা সবজি, মাংস, মুরগির মতো প্রোটিন এখনো মানবিক সাহায্যের অংশ হিসেবে অনুমোদিত নয়। একই সঙ্গে কিচেনে চুলা, রান্নার সরঞ্জাম ও গ্যাস ক্যানিস্টারের বড় ধরনের সংকট রয়েছে।

সংস্থার প্রতিনিধিরা জানান, গাজায় অনেক শিশু ও পরিবারের সদস্য এখন টিনজাত খাবার ও স্প্যাগেটির ওপর নির্ভর করছে। পরিষ্কার পানির অভাবে বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি।


Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *