মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটি ল’ ক্লিনিকের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন
বাংলাদেশের অন্যতম শীর্ষ বেসরকারি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির আইন ও বিচার পরিচালিত ল’ ক্লিনিকের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের মাধ্যমে গত ১২ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে নবগঠিত এই কমিটি আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি লাভ করে।
নবগঠিত কমিটির প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে রয়েছেন মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্ঠাতা ও বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান এমেরিটাস, ড. তৌফিক রহমান চৌধুরী, যাঁর দূরদর্শী নেতৃত্ব ও অবদানে প্রতিষ্ঠানটি দেশের উচ্চশিক্ষা অঙ্গনে একটি সুদৃঢ় অবস্থান অর্জন করেছে।
এছাড়াও পৃষ্ঠপোষক হিসেবে রয়েছেন বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সম্মানিত চেয়ারম্যান তানভীর এম. ও. রহমান চৌধুরী, যিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়ন ও একাডেমিক অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছেন।
কমিটির উপদেষ্টা হিসেবে রয়েছেন মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের মাননীয় প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক মোহাম্মদ ইশরাত ইবনে ইসমাইল, যাঁর প্রশাসনিক প্রজ্ঞা ও শিক্ষাবান্ধব দিকনির্দেশনা ল’ ক্লিনিকের কার্যক্রমকে আরও সমৃদ্ধ করছে।
প্রধান প্রশিক্ষক হিসেবে রয়েছেন অধ্যাপক শেখ আশরাফুর রহমান, ডিন, স্কুল অব ল’, মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ। যাঁর সুদীর্ঘ একাডেমিক অভিজ্ঞতা, গবেষণাভিত্তিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং দক্ষ নেতৃত্ব আইন শিক্ষার্থীদের পেশাগত উৎকর্ষ সাধনে বিশেষ ভূমিকা রাখছে।
এছাড়াও ল’ ক্লিনিকের প্রধানের দ্বায়িত্বে রয়েছেন অধ্যাপক ড. এম. জেড. আশরাফুল, বিভাগীয় প্রধান, আইন ও বিচার বিভাগ। যাঁর কার্যকর দিকনির্দেশনা, একাডেমিক কঠোরতা ও শিক্ষার্থীবান্ধব তত্ত্বাবধানে ল’ ক্লিনিকের শিক্ষা ও গবেষণামূলক কার্যক্রম ধারাবাহিকভাবে এগিয়ে যাচ্ছে।
কার্যনির্বাহী কমিটির গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বপ্রাপ্ত সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন সিনিয়র সহ-সভাপতি শাহ ফজলে এলাহী; সহ-সভাপতি খাতুনে জান্নাত ফাতেমা চৌধুরী ও শাহ সুলতানা তাকিয়া; সাধারণ সম্পাদক হোসাইন আহমেদ; যুগ্ম সম্পাদক সারা রহমান; সাংগঠনিক সম্পাদক জাহির উদ্দীন; যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক শাহিনা আক্তার; কোষাধ্যক্ষ ইমা আক্তার; যুগ্ম কোষাধ্যক্ষ সুমি আক্তার; তহবিল সমন্বয়কারী রোহানা রহমান মিলা; যুগ্ম তহবিল সমন্বয়কারী দেবব্রত কর; প্রেস সচিব নুসরাত আক্তার তানিয়া; যুগ্ম প্রেস সচিব দ্বীপ দাস; প্রশিক্ষণ ও প্রচারাভিযান সমন্বয়কারী নূরাহ সহিদ জোয়ারদার; যুগ্ম প্রশিক্ষণ ও প্রচারাভিযান সমন্বয়কারী সামিয়া আক্তার হাফসা; দপ্তর সম্পাদক সৈয়দা কাহেরুন্নেছা মিতু এবং যুগ্ম দপ্তর সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন সৈয়দা সামিনা শারমিন ও সুস্মিতা চৌধুরী রিমি।
এছাড়াও কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন চৌধুরী সাঈদ কামাল আরীব, মোঃ ছাদিকুল ইসলাম এবং তারেক আহমেদ, যাঁরা কমিটির কার্যক্রম বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন বলে আশা প্রকাশ করা হয়।
প্রসঙ্গত, মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটি ল’ ক্লিনিক আইন শিক্ষার্থীদের বাস্তবমুখী ও প্রয়োগভিত্তিক আইনি জ্ঞান অর্জনে সহায়তা করার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। এই ল’ ক্লিনিকের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা বিনামূল্যে আইনি পরামর্শ প্রদান, আইনি গবেষণা কার্যক্রম, মামলা প্রস্তুতির প্রাথমিক ধারণা, মক ট্রায়াল, লিগ্যাল ড্রাফটিং এবং বিভিন্ন আইনি সচেতনতামূলক কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়ে থাকে।
এছাড়াও ল’ ক্লিনিক সমাজের সুবিধাবঞ্চিত, অসহায় ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য বিনামূল্যে আইনি সহায়তা প্রদান, আইন বিষয়ক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং শিক্ষার্থীদের মাঝে সামাজিক দায়িত্ববোধ জাগ্রত করার লক্ষ্যে নিয়মিত কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।
ইতোমধ্যে মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটি ল’ ক্লিনিক দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিভিন্ন গবেষণা কার্যক্রম, সেমিনার, কনফারেন্স ও আইনভিত্তিক ইভেন্টে অংশগ্রহণ করে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে। এসব কার্যক্রমের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা আন্তর্জাতিক মানের গবেষণা ও পেশাগত দক্ষতা অর্জনের সুযোগ পাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে তাদের আইন পেশায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করেন।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আশা প্রকাশ করেন, নবগঠিত কমিটির নেতৃত্বে মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটি ল’ ক্লিনিকের কার্যক্রম আরও সুসংগঠিত, কার্যকর ও গতিশীল হবে এবং শিক্ষার্থীরা বাস্তবভিত্তিক আইন শিক্ষায় আরও দক্ষ হয়ে উঠবে।
উল্লেখ্য, এই অগ্রগতির পেছনে রয়েছে মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান ইমেরিটাস ড. তৌফিক রহমান চৌধুরী, বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান তানভীর রহমান চৌধুরী এবং মাননীয় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ ইসরাত ইবনে ইসমাইলসহ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দূরদর্শী নেতৃত্ব, অনুপ্রেরণা ও অব্যাহত সহায়তা। একই সাথে একাডেমিক পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন অধ্যাপক শেখ আশরাফুর রহমান, ডিন, স্কুল অব ল’, মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ; ড. এম. জেড. আশরাফুল, বিভাগীয় প্রধান, আইন ও বিচার বিভাগ; এবং আইন ও বিচার বিভাগের সম্মানিত শিক্ষকবৃন্দ। তাঁদের দিকনির্দেশনা, গবেষণাবান্ধব পরিবেশ ও নিরবচ্ছিন্ন পরামর্শের ফলে শিক্ষার্থীরা আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা ও গবেষণায় অংশগ্রহণের সুযোগ পাচ্ছেন বলে সংশ্লিষ্টরা মত প্রকাশ করেন।

