রাশিয়ার সঙ্গে তেল ও জ্বালানি বাণিজ্য অব্যাহত রাখা দেশগুলোর বিরুদ্ধে আরও কঠোর অর্থনৈতিক পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। এ লক্ষ্যে রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাট—দুই দলের সমর্থনে উত্থাপিত ‘রাশিয়া স্যাংশন বিল’-এ নীতিগত সম্মতি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
রিপাবলিকান সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম এ দাবি করে জানান, বুধবার হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের সঙ্গে তার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকেই প্রেসিডেন্ট বিলটির প্রতি সমর্থন জানান। হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তাও সংবাদ সংস্থা এপিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বিলটি আইনে পরিণত হলে, যেসব দেশ জেনে-বুঝে রাশিয়ার তেল, গ্যাস কিংবা ইউরেনিয়াম আমদানি করছে, তাদের ওপর সর্বোচ্চ ৫০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপ এবং কঠোর নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার ক্ষমতা পাবে মার্কিন প্রশাসন। এর ফলে ভারত, চীন ও ব্রাজিলের মতো দেশের ওপর শুল্ক ও সেকেন্ডারি নিষেধাজ্ঞার চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যেতে পারে।
রিপাবলিকান সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম ও ডেমোক্র্যাট সিনেটর রিচার্ড ব্লুমেনথাল যৌথভাবে বিলটি প্রণয়ন করেছেন। এর মূল লক্ষ্য হলো রাশিয়ার সামরিক কর্মকাণ্ডে অর্থায়নের বড় উৎসগুলো বন্ধ করে দেওয়া।
এরই মধ্যে রাশিয়া থেকে অপরিশোধিত তেল আমদানির কারণে ভারতের ওপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ফলে মার্কিন বাজারে ভারতীয় পণ্যের ওপর মোট শুল্কের হার দাঁড়িয়েছে ৫০ শতাংশে। একই সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনার সময় রুশ তেল আমদানি বন্ধের শর্তও জোরালোভাবে দিল্লির কাছে তুলে ধরছে ওয়াশিংটন।

