বিক্ষোভে হাজারো মানুষের মৃত্যুর কথা স্বীকার করে খামেনি বললেন, ট্রাম্পই দায়ী’

বিক্ষোভে হাজারো মানুষের মৃত্যুর কথা স্বীকার করে খামেনি বললেন, ট্রাম্পই দায়ী’

ইরানে সাম্প্রতিক সরকারবিরোধী বিক্ষোভে কয়েক হাজার মানুষের মৃত্যুর বিষয়টি প্রথমবারের মতো স্বীকার করেছেন দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। তবে এই বিপুল প্রাণহানির জন্য তিনি সরাসরি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে দায়ী করেছেন।

আজ রোববার (১৮ জানুয়ারি) আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে।

ঘটনার মূল বিষয়গুলো নিচে তুলে ধরা হলো:

  • মৃত্যুর স্বীকৃতি: শনিবার (১৭ জানুয়ারি) জাতির উদ্দেশে দেওয়া এক ভাষণে খামেনি বলেন, দেশজুড়ে চলা বিক্ষোভে “কয়েক হাজার” মানুষ নিহত হয়েছে। এটিই প্রথম যে ইরানের কোনো শীর্ষ নেতা নিহতের সংখ্যা নিয়ে এমন বড় মাপের ইঙ্গিত দিলেন।
  • ট্রাম্পকে ‘অপরাধী’ আখ্যা: খামেনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ‘অপরাধী’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি দাবি করেন, ট্রাম্প প্রকাশ্যেই বিক্ষোভকারীদের উৎসাহ দিয়েছেন এবং সামরিক সহায়তার আশ্বাস দিয়ে দেশটিতে ‘বিদ্রোহ’ উসকে দিয়েছেন।
  • যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে দায়ি করা: ইরানের সর্বোচ্চ নেতার দাবি, এই সহিংসতা ও প্রাণহানির নেপথ্যে বিদেশি শক্তি তথা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত এজেন্টরা কাজ করেছে। তিনি বলেন, “বিদ্রোহীরা মসজিদ, ব্যাংক এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে হামলা চালিয়ে ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে।”
  • মানবাধিকার সংগঠনের দাবি: খামেনি কয়েক হাজার মানুষের কথা বললেও যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন এইচআরএএনএ (HRANA) দাবি করেছে, নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে এ পর্যন্ত অন্তত ৩,০৯০ জন নিহত হয়েছেন। তবে সরকারিভাবে এখনো সুনির্দিষ্ট কোনো তালিকা প্রকাশ করা হয়নি।
  • ইন্টারনেট সংযোগ: বিক্ষোভ দমনে ইরানে প্রায় ১০ দিন ইন্টারনেট পুরোপুরি বন্ধ রাখার পর সম্প্রতি কিছু কিছু এলাকায় সীমিত আকারে সংযোগ ফিরতে শুরু করেছে। নেটব্লকস-এর তথ্যমতে, শনিবারও ইরানে ইন্টারনেট সংযোগ স্বাভাবিকের তুলনায় মাত্র দুই শতাংশ ছিল।

পরবর্তী ধাপ: ইরানের এই উত্তাল পরিস্থিতি নিয়ে কি আপনি কোনো আন্তর্জাতিক বিশ্লেষণ বা মানবাধিকার রিপোর্ট তৈরি করতে চান? আমি আপনাকে প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে সহায়তা করতে পারি।

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *