বলিউডের নতুন স্পাই থ্রিলার ‘ধুরন্ধর’ মুক্তির পর ভারত ও পাকিস্তান—দুই দেশেই প্রশংসার পাশাপাশি তীব্র বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। ৫ ডিসেম্বর মুক্তি পাওয়া সাড়ে তিন ঘণ্টার এই সিনেমায় ভারত–পাকিস্তান উত্তেজনাকে কেন্দ্র করে এক রক্তক্ষয়ী গুপ্তচর জগতের গল্প দেখানো হয়েছে।
আদিত্য ধর পরিচালিত ছবিতে রণবীর সিং অভিনীত এক ভারতীয় স্পাইকে করাচিতে গ্যাং নেটওয়ার্ক ভাঙার মিশনে পাঠানো হয়। তার বিপরীতে শক্তিশালী চরিত্রে আছেন সঞ্জয় দত্ত, আর গ্যাংস্টারের ভূমিকায় অক্ষয় খান্না। ছবিতে সহিংসতা, গোয়েন্দা সংস্থার দ্বন্দ্ব ও রাজনৈতিক কৌশল তুলে ধরা হয়েছে।
পাকিস্তানে সবচেয়ে বেশি সমালোচনা হয়েছে করাচি ও লিয়ারি এলাকার ভুল ও অতিরঞ্জিত উপস্থাপন নিয়ে। পাশাপাশি অনুমতি ছাড়া বেনজির ভুট্টোর ছবি ব্যবহারের অভিযোগে মামলাও হয়েছে। সমালোচকদের মতে, স্থানীয় গ্যাংগুলোকে ভারত–পাকিস্তান ভূরাজনীতির সঙ্গে জুড়ে দেখানো অবাস্তব।
ভারতে সিনেমাটি বাণিজ্যিকভাবে সফল হলেও এখানেও বিতর্ক থামেনি। এক শহীদ সেনা কর্মকর্তার পরিবার অভিযোগ করেছে, অনুমতি ছাড়া তার জীবনের কাহিনি ব্যবহার করা হয়েছে। বাস্তব ফুটেজ ব্যবহারে কল্পনা ও বাস্তবের সীমা ঝাপসা হয়েছে বলেও সমালোচনা রয়েছে।
সব মিলিয়ে, ‘ধুরন্ধর’ শুধু একটি স্পাই থ্রিলার নয়; এটি ভারত–পাকিস্তান সম্পর্ক, রাজনীতি ও চলচ্চিত্রের ভূমিকা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক উসকে দিয়েছে।

